শিরোনাম:
লক্ষ্মীপুরে পানিসম্পদ মন্ত্রীর সাথে সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা বেগমগঞ্জে বিদেশি পিস্তলসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চন্দ্রগঞ্জ বাজারে ইজারার খাজনা আদায় নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নোয়াখালীর আন্ডারচরে সেভেন স্টার একাডেমির উদ্যোগে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি পালন লক্ষ্মীপুরে প্রথম সফরে পানিসম্পদ মন্ত্রী: ‘অপরাধে ছাড় নয়’ বেগমগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টা থানায় অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জে শহীদ জিয়া স্মৃতি ডাবল হুন্ডা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত বাজি ধরা ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীতে ছুরিকাঘাতে নিহত তরুণ জীবন দেব, তবুও হার মানব না: লক্ষ্মীপুরে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

লক্ষ্মীপুরে প্রবাসীর জমিতে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, আগস্ট ১৫, ২০২৫
  • 384 Time View

।নিজস্ব সংবাদদাতা:

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের বড়ালিয়া গ্রামে পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রবাসী ফারুক হোসেনের পরিবারকে হয়রানি এবং তাদের ব্যক্তিগত জমির ওপর জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, মৃত হাফিজ উল্যা মিয়ার ভিটা ঘিরে সম্প্রতি নিরাপত্তার জন্য তারকাঁটার বেড়া দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত রাতেই প্রতিপক্ষের লোকজন বেড়া ভেঙে ফেলে। এর আগে দিনের বেলায় সীমানা পিলারও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ তাদের। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হলেও প্রভাবশালীদের কারণে কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রতিপক্ষ প্রথমে চলাচলের রাস্তার নিয়ন্ত্রণ নেয়, এরপর ফারুক হোসেনের তারকাঁটা-ঘেরা বাগান দখল করে সেটিকে পথ হিসেবে দাবি করছে। এতে বসতভিটা ও বাগান মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রবাসী আবদুর রহিমের স্ত্রী সুলতানা আক্তার বলেন, “আমার স্বামীসহ পরিবারের সব পুরুষ সদস্য বিদেশে থাকেন। প্রতিপক্ষের হুমকি ও হয়রানিতে আমরা সবসময় আতঙ্কে থাকি।”

প্রবাসী ফারুক হোসেনের মা রহিমা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, “আমার তিন ছেলে প্রবাসে। পুরুষ না থাকায় আমরা নারী সদস্যরা নানাভাবে নির্যাতিত হচ্ছি। গতকাল সোলেমান ও খোরশেদ আমাদের বেড়া ভেঙে দিয়েছে।”

তবে অভিযুক্ত সোলেমান ও খোরশেদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জমি নিয়ে বিরোধ প্রায় তিন দশক ধরে চলমান। ২০২২ সালের সালিশি বৈঠকের রায় অনুযায়ী তারা বসবাস করছেন। তাদের দাবি, রাস্তার জায়গায় জোর করে বেড়া দেওয়া হয়েছিল, তবে কে বেড়া ভেঙেছে সে বিষয়ে তারা কিছু জানেন না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য রনি জানান, আমরা কাগজপত্র যাচাই করে সালিশি সিদ্ধান্ত দিয়েছিলাম। তিন পক্ষের মধ্যে দুই পক্ষ সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও ফারুক গং তা মানেননি।

দত্তপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোহাম্মদ জিয়া বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, উভয় পক্ষকে শান্তি বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares